সম্পর্ক -জান্নাতুল ফেরদৌস সিসিলা

0
80

সম্পর্ক

-জান্নাতুল ফেরদৌস সিসিলা

 

প্রিয়জনের মুখের হাসি রাখতে অমলিন,

সকাল সন্ধ্যা যাচ্ছি খেটে হচ্ছিনা মলিন

নয়টা পাঁচটা অফিস শেষে ফিরছি যখন ঘরে,

ক্লান্ত হলেও দুহাত ভরে ফিরছি বাজার করে।

 

মেয়েটা আমার বায়না করে চাইলো বারবি ডল,

ছেলের জন্য কিনতে হবে ক্রিকেট খেলার বল।

মায়ের নাকি পান সুপারি হয়ে গেছে শেষ,

বললো বাবা ঔষধগুলো আজকে এনে দিস।

 

বোনটা যাবে বিয়ে বাড়ি,লাগবে নতুন শাড়ী।

ভাইটা বললো লাগবে তার নতুন একটা ঘড়ি।

বৌটা আমার মুখের দিকে আছে তাকিয়ে,

ইশারায় বলছে  তুমি পড়নাকো ভেঙে।

 

মাসের শেষে খালি হাতে কিভাবে কী হবে,

টেনেটুনে চললে শেষেও,অনেক বাকি হবে।

পরের মাসে করতে হবে সব পরিশোধ,

কিভাবে কি করবো আমি পাচ্ছিনাতো বোধ।

 

এভাবে  চলবে বলো আর কতদিন!

বাড়তি আয় না থাকায় বেড়েই যাচ্ছে ঋণ।

সল্প আয়ের মানুষগুলোর এটাই বাস্তবতা,

মধ্যবিত্ত জীবন মানেই ব্যথার সুতোয় বাধা।

 

পাশে আছে বউটা আমার, থাকতে বলে শক্ত।

এই জন্যই আমি আমার বউয়ের ভীষণ ভক্ত।

পাশে আছে বলেই আমি,যাচ্ছি এগিয়ে।

এটা সেটা বায়না করে দেয়না রাগিয়ে।

 

পারিবারিক ভালোবাসা আত্মার সেই টান,

মিলেমিশে থাকলে সবাই হবেনাতো ম্লান।

আত্মত্যাগের গল্পে ভরা ছোট্ট এই জীবনটা,

প্রিয়জনের হাসি দেখে যায় ভরে এ মনটা।