আমাদের পরিবারের পুরুষদের জীবন কতটা রঙিন

0
40

আমাদের পরিবারের পুরুষদের জীবন কতটা রঙিন?

 

– জান্নাতুল ফেরদৌস সিসিলা

 

ধরেন,একজন ছেলে যখন জন্ম নেয় তখন তাকে খুব ভালো করে বুঝিয়ে দেয়া হয় ভবিষ্যতে তাকে পুরো পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে।দায়িত্ব কি জিনিষ তা বোঝার আগেই বাবা,মা,আত্বীয়পরিজন মজার ছলে কত বলে বড় হয়ে কি হবা,চাকুরী করে কি কিনে দিবা?এই কথাগুলো কিন্তু আস্তে আস্তে একটা মানুষিক অত্যাচার হয়ে যায়।কত ছেলে এইসব নিয়ে কত ডিপ্রেশনে ভুগে তার হিসাব নাই।

 

ছেলেদের উপার্জিত অর্থ পরিবারের জন্য উৎসর্গ করা।এ নিয়ে কোনো দ্বিধাদন্দ নাই।কিন্তু,সারামাস কষ্ট করে আয় করা টাকাগুলো তারা নিজের জন্য খরচ করার আগে ১০০ বার ভাবে।ঈদ বা অন্যান্য উৎসবে ছেলেরা আগে বৌ,মা,বাবা,সন্তান,বোন,ভাই সবার কি লাগবে আগে চিন্তা করে।নিজের জন্য পরিবারের সবার আগে কেনাকাটা করেছে এমন পুরুষমানুষ আমি কোনোদিন দেখি নাই।

 

ছোটবেলা থেকে ছেলেদের পরিবার থেকে শেখানো হয় কান্না করা যাবেনা।কান্না করা ছেলেদের সবাই হাসে।তাই তাদের কান্না,কষ্টগুলো বেশিরভাগ সময় রয়ে যায় লোকচক্ষুর আড়ালে।

 

কত পরিবারে শ্বাশুরী,ননদ,বৌদের যুদ্ধ লেগে থাকে।মাঝখানে পরে পুরুষটির হাল হয় বারগারের ভিতর থাকা পেটির মত।দুই সাইডের চাপে শেষ।যদি মায়ের আর বোনের পক্ষে কথা বলে হবে খারাপ স্বামী।যদি বৌয়ের পক্ষে কথা বলে হবে খারাপ ভাই,খারাপ ছেলে।খারাপ কিন্ত হিসেব কষে একজন,সে হল পরিবারের পুরুষটি।

 

যাইহোক,এগুলো আমার ধারনা।ভালো না লাগলে এড়িয়ে যাওয়া ভালো।পরিবেশ,পরিস্থিতির কারনে এর ব্যাতিক্রম হয় অনেক ক্ষেত্রে।

 

ধন্যবাদ পুরুষসমাজ।ভালো থেকো।স্যালুট তোমাদের।